The Calcutta Mirror Desk :
১৮ মাস মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তিকালীন সরকারের আওতায় থাকার পরে আজ, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, বাংলাদেশে আয়োজিত হচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। দীর্ঘ ৩৫ বছর পরে এই প্রথম বাংলাদেশের ভোটে নেই ‘বেগমদের লড়াই’। শেখ হাসিনা দেশ ছাড়া। আর খালেদা জিয়া তো পৃথিবীই ছেড়েছেন। এই পরিস্থিতিতে এ বারের নির্বাচনই বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ‘কম্পিটিটিভ’ ভোট বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
এ দিন একই সঙ্গে জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং সংবিধান সংস্কারের গণভোট অর্থাৎ, ‘টুইন ব্যালট’-এ রায় দিচ্ছেন ভোটাররা। আর এ বারের বাংলাদেশের ভোটের দিকে ভারত তথা বাংলার মানুষকেও তাকিয়ে থাকতে হবে। কেন? সেই প্রসঙ্গে পরে আসছি। তার আগে একটু বুঝে নেওয়া যাক এ বারের বাংলাদেশের ভোটের বিভিন্ন সমীকরণ।
প্রায় ১২ কোটি ৭০ লক্ষ ভোটার আজ ৪২ হাজারেরও বেশি ভোটকেন্দ্রে ৩০০টি সংসদীয় আসনের জনপ্রতিনিধি বেছে নেবেন। আর তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এ বারের নির্বাচনে ‘গেম চেঞ্জার’ হলো বাংলাদেশের তরুণ ভোটাররা। ৫ কোটি ৬০ লক্ষ অর্থাৎ, প্রায় ৪৪ শতাংশ ভোটারই তরুণ (১৮-৩৭ বছর)।
শুধু ভোটার নয়, প্রার্থীদের মধ্যেও নতুন মুখের জয়জয়কার। ১,৯৮১ জন প্রার্থীর মধ্যে ১,৫১৮ জনই প্রথমবার নির্বাচনে লড়ছেন। প্রার্থীদের মধ্যেও উল্লেখযোগ্য প্রতিনিধিত্ব রয়েছে তরুণদের। ‘ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল’-এর তথ্য অনুযায়ী, প্রার্থীদের ২৭ শতাংশের বয়স ২৫ থেকে ৪৪-এর মধ্যে।

