27 C
Kolkata
Monday, May 29, 2023
More

    সরকার এবং রাষ্ট্র এক নয়! টুলকিট মামলায় দিশা রবিকে জামিন দিয়ে একথাই প্রমাণ করলেন বিচারপতি ধর্মেন্দ্র রাণা

    দ্য ক্যালকাটা মিরর ব্যুরো:টুলকিট কান্ডে  ‘দেশদ্রোহিতা’র মামলায় টানা ১০ দিন তিহার জেলে  পুলিশ ও বিচারবিভাগীয় হেফাজতে থাকার পর মঙ্গলবার অর্থাৎ ২৩ ফ্রেব্রুয়ারি জামিন পেয়েছেন ২২ বছরের  ভারতীয় পরিবেশকর্মী দিশা রবি।শনিবার দিশাকে আদালতে পেশ করা হলে দিশা জামিনের আবেদন করেন। সেই আবেদনের শুনানিতে মঙ্গলবার  পাতিয়ালা হাউস কোর্টের অ্যাডিশনাল সেশন জাজ ধর্মেন্দ্র রানা ব্যক্তিগত ১ লক্ষ টাকার বন্ডে দিশা রবির জামিন মঞ্জুর করেন।এদিন বিচারপতি ধর্মেন্দ্র রাণা  বলেছেন, “সংবিধানে নাগরিকদেরকে ভিন্ন মত পোষণের অধিকার দেওয়া আছে। কেবল রাষ্ট্রের সিদ্ধান্তের বিরোধিতার জন্য তাদের জেল হতে পারে না। “তাঁর এই রায় ঐতিহাসিক বল মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।যা সরকার পক্ষের বিরুদ্ধে স্বাধীন মত প্রকাশের স্বাধীনতার পক্ষে জোরালো প্রশ্ন তুলে দিলো বলে মনে করা হচ্ছে।

    সরকার পক্ষের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে কথা বলা,কিংবা মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে দেশবাসীর মধ্যে যখন এক  অদ্ভুত ভয়ের বাতাবরণ তৈরি হয়েছে সেই সময় তামাম ভারতবাসী কে ফের একবার ভারতীয় বিচারব্যবস্থার প্রতি ভরসা রাখতে শেখালেন বিচারপতি ধর্মেন্দ্র রাণার। তিনি আরও একবার মনে করিয়ে দিলেন সরকার এবং রাষ্ট্র এক নয়। সরকারের পালাবদল লেগেই থাকে।তাই দেশ এবং সংবিধান কে সূরক্ষিত রাখতে যত্রতত্র দেশদ্রোহিতার মামলা চাপিয়ে দেওয়া যায় না।

    দিশার পাশাপাশি এই মামলায় আরও দুই অভিযুক্ত সমাজকর্মী ও আইনজীবী নিকিতা জ্যাকোব এবং পেশাদার ইঞ্জিনিয়ার শান্তনু মুলুকের বিরুদ্ধে  জামিন অযোগ্য ওয়ারেন্ট জারি করেছিল দিল্লি পুলিশ। পরে অবশ্য বম্বে হাইকোর্ট দু’জনকেই আদালতে গ্রেফতারি এড়িয়ে হাজির হওয়ার জন্য শর্তসাপেক্ষে জামিন দেয়। নির্দিষ্ট মেয়াদের মধ্যে আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করতে হবে শান্তনু এবং নিকিতাকে।

    আরো পড়ুন:করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে দিল্লিতে চালু হল নতুন নিয়ম

    উল্লেখ্য টুলকিট কান্ডের বিতর্কের সূত্রপাত হয় বিশ্বের পরিবেশ আন্দোলনের অন্যতম মুখ তথা সুইডিশ পরিবেশকর্মী গ্রেটা থুনবার্গের দিল্লির কৃষক আন্দোলন কে সমর্থন জানিয়ে শেয়ার করা ‘টুলকিট’ কে কেন্দ্র করে। দিল্লি পুলিশের সাইবার সেলের দাবি ছিল ওই ‘টুলকিট’ আসলে খলিস্তানিদের তৈরি। যার মাধ্যমে ভারত সরকারের বিরুদ্ধে ‘সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক যুদ্ধ’ শুরু করার বার্তা দেওয়া হয়েছে। এমনকী, ২৬ জানুয়ারির হিংসার ঘটনাতেও ওই  ‘টুলকিটে’ -র উস্কানি রয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।গ্রেটার শেয়ার করা সেই টুলকিট পোস্ট করেছিলেন দিশা। এরপরেই কৃষক আন্দোলনের প্রচারে  টুলকিট শেয়ার করার অপরাধে বেঙ্গালুরু থেকে আটক করা হয়  দিশা রবিকে। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ , ওই টুলকিটটি তিনি সম্পাদনা করে শেয়ার করেছিলেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। এছাড়াও দিশার বিরুদ্ধে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ খুলে কৃষক আন্দোলনের প্রচারের অভিযোগ ওঠে।যার মাধ্যমে দেশদ্রোহিতাকে প্রশ্রয় দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করে দিল্লি পুলিশের সাইবার সেল। তাদের দাবি, ভারতের বিরুদ্ধে অসন্তোষ তৈরির জন্য ‘পোয়েটিক জাস্টিস ফাউন্ডেশনের’ নামে একটি ‘খলিস্তানপন্থী’ গোষ্ঠীর সঙ্গে হাত মিলিয়েছিলেন দিশা। যদিও এই পোয়েটিক জাস্টিস ফাউন্ডেশন হল কানাডার এনজিও।এরপরেই দেশদ্রোহিতার অভিযোগে  ১৩ ফেব্রুয়ারি গ্রেফতার করা হয় তাকে। গ্রেফতারের পর প্রাথমিকভাবে তাকে পাঁচদিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তারপর তিনদিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে কাটিয়েছিলেন।

    মামলা চলাকালীন কোর্টের কাছে দিশা আবেদন করেছিলেন তাঁর গ্রেফতারিকে কেন্দ্র করে খবর পরিবেশন করা থেকে মিডিয়াকে যেন বিরত থাকার নির্দেশ দেয় আদালত। এরপরেই ১৮ ফেব্রুয়ারি, নিউজ-১৮, ইন্ডিয়া টুডে, টাইমস নাও, ন্যাশনাল ব্রডকাস্টিং স্ট্যানডার্ড অথরিটি , তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক এবং দিল্লি পুলিশের কাছে নোটিশ পাঠায় দিল্লি হাইকোর্ট। তাতে বলা হয়, হোয়াটসঅ্যাপে যা আছে তা সমেত দিশার ব্যক্তিগত কথোপকথন বা সেগুলির অংশবিশেষ মিডিয়া যেন প্রকাশ না করে। অন্যথায়, তাঁর সুবিচার পাওয়ার অধিকারকে খর্ব করা হবে।

    এদিন বিচারক ধর্মেন্দ্র রানা বলেন অবাঞ্ছিত কোনও ব্যক্তির সঙ্গে দেখা করার অর্থ সবসময় খারাপ উদ্দেশ্য নয়।এছাড়া দিল্লি পুলিশের কাছে তিনি জানতে চান, দিশার সঙ্গে ২৬ জানুয়ারি কৃষক বিক্ষোভে সহিংসতার সংযোগ রয়েছে কি না? এ বিষয়ে কী প্রমাণ রয়েছে তাদের কাছে? দিল্লি পুলিশ উপযুক্ত কোনও  প্রমাণ দিতে না পারায় বিচারপতি তখন বলেন, “আমি মনে করি একটি গণতান্ত্রিক দেশের নাগরিকরা হলো সরকারের বিবেকের রক্ষক। কেবল রাষ্ট্রীয় নীতিমালার সঙ্গে ভিন্ন মত প্রদর্শনের জন্য তাদেরকে কারাগারে আটকে রাখা যায় না।”

    দিশার মুক্তির ব্যাপারে দিল্লি পুলিশ কে কটাক্ষ করে ধর্মেন্দ্র রানা বলেন,” দিশাকে পুলিশ হেফাজতে রাখার পক্ষে খুব সামান্য যে প্রমাণ দিল্লি পুলিশ আদালতে পেশ করেছে,তা অসম্পূর্ণ। শুধু তার ভিত্তিতে কেন কোনও পূর্ব অপরাধের রেকর্ড না থাকা ২১ বছরের তরুণীকে তাঁর জামিনের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা যায় না।”

    এছাড়া তিনি বলেন,” ভারতের প্রতিষ্ঠাতারাও মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে অলঙ্ঘনীয় মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার মধ্য দিয়ে ভিন্ন মতের প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়েছেন। ভারতের সংবিধানের ১৯ নম্বর অনুচ্ছেদের আওতায় দৃঢ়ভাবে ভিন্ন মত পোষণের অধিকার দেওয়া আছে। আমার বিবেচনা অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক অঙ্গনের মনযোগ আকর্ষণ করতে চাওয়াটাও মত প্রকাশের অধিকারেরই অন্তর্ভূক্ত। যোগাযোগের ক্ষেত্রে কোনও ভৌগোলিক প্রতিবন্ধকতা থাকে না।”পাশাপাশি এদিনের শুনানিতে ঋকবেদের শ্লোকের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন তিনি। এছাড়াও বিচারপতি বলেন আদিমকাল থেকে ভারতে যে বরাবরই ভিন্ন ধর্ম, ভিন্ন মতের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান দেখতে পাওয়া গিয়েছে।

    মামলার শুনানিতে আদালতে দিশা বলেন, টুলকিট ছিল একটি রিসোর্স ডকুমেন্ট। এই ডকুমেন্টের মাধ্যমে পাঠক কৃষক আন্দোলনের নানা তথ্য পাওয়া যাবে। দিল্লি পুলিশ দিশা রবির জামিনের বিরোধিতা করে বলেন, ওই টুলকিটের বেশ কয়েকটি ওয়েবসাইডের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে, যেখানে ভারত সরকারের পাশাপাশি ভারতীয় সেনাবাহিনীর নিন্দা করা হয়েছে। এরপরে দিল্লি পুলিশকে ওই টুলকিটে কি ছিল, তা দেখানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই তথ্য কীভাবে হিংসার প্ররোচনা দিতে পারে, তা বিস্তারিত ব্যাখাও দিতে বলা হয়। টুলকিট দেখে বিচারক বলেন দিশার টুলকিটে থাকা হাইপার লিঙ্ক দুটি গুগল ডকুমেন্ট ফরম্যাটে ছিল। কিন্তু তাতে বিশেষ আপত্তিকর কিছু নেই । এদিকে দিল্লি পুলিশের একের পর অভিযোগের মুখে পড়েও আত্মপক্ষ সমর্থন করে দিশা বলেন, তিনি ওই টুলকিট তৈরি করেননি। ওই টুলকিটের দু’একটি ছত্র তিনি সম্পাদনা করেছিলেন।

    শুধু তাই নয় অসম্ভব অত্মপ্রত্যয়ের সাথে আদালতে দাঁড়িয়ে দিশা বলেন “কৃষকদের আন্দোলন নিয়ে কথা বলা যদি দেশদ্রোহ হয়, তা হলে আমার জন্য জেলই ভালো।’এছাড়া তাঁর আরো সংযোজন, ‘যদি আমার অপরাধ এটা হয় যে আমি শান্তিপূর্ণ ভাবে প্রতিবাদ করেছিলাম, তা হলে আমি অপরাধী। আমার অপরাধ যদি এটা হয় যে, আমি এই শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের পক্ষে সওয়াল করেছিলাম, তা হলে আমি অপরাধী। যদি অপরাধের মানদণ্ডই এগুলো হয়, তা হলে আমি অবশ্যই অপরাধী।”

    এ তো গেল টুলকিট কান্ড নিয়ে অসীম সাহসী এবং দৃঢ়চেতা দিশার গোটা দেশ কে নতুন দিশা দেখানোর কথা। যা দিল্লির বিজেপি শাসিত পুলিশ মহলের মুখের ওপর কড়া জবাব দিয়ে দিয়েছে। তবে দিশা একা নন অতীতেও সরকার পক্ষের বিরুদ্ধে মুখ খুলে রাজকোষের শিকার হয়েছেন ভারতবর্ষের বুকে এমন উদাহরণ রয়েছে ভুরি ভুরি। শুধু কৃষক আন্দোলন নিয়ে ২৬ জানুয়ারির হিংসার ঘটনায় ২২ জন কৃষকনেতার বিরুদ্ধে দিল্লি পুলিশ দেশদ্রোহের অভিযোগ আনে। ইউএপিএ’, আইনে আটক রয়েছেন তিন সাংবাদিক, একজনের যাবজ্জীবন সাজা হয়েছে। এ ছাড়া রয়েছে ফৌজদারি মানহানি ও আদালত অবমাননার মামলা।

    দিল্লির কৃষি আন্দোলনে কৃষক মৃত্যু নিয়ে টুইট করায় বর্ষিয়ান সাংবাদিক ও নিউজ অ্যাঙ্কার রাজদীপ সরদেশাই দুসপ্তাহের জন্য অফ এয়ার করেছিল সংবাদ সংস্থা ইন্ডিয়া টুডে। সেসময় লাল কেল্লার ঘটনা নিয়ে মতামত পরিবেশন করায় রাজদীপ সরদেশাই, মৃণাল পান্ডে, বিনোদ হোসে, জাফর আঘা, পরেশনাথ, অনন্ত নাথের মতো সাংবাদিকের পাশাপাশি কংগ্রেস সাংসদ শশী তারুরের বিরুদ্ধে উত্তরপ্রদেশ ও মধ্যপ্রদেশে দেশদ্রোহ, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র এবং শত্রুতায় ইন্ধন জোগানোর মতো গুরুতর অভিযোগ আনা হয় ।অন্যদিকে উন্নাওয়ে তিন দলিত বালিকাকে বিষ দিয়ে হত্যার ঘটনায় পুলিশ ৮টি টুইটার হ্যান্ডেলের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ।যার মধ্যে সাংবাদিক বরখা দত্ত-এর ‘মোজো স্টোরি’-ও রয়েছে।

    উল্লেখ্য সাংবাদিকদের ওপর অভিযোগ ও মামলার এই খতিয়ানের ৪০ শতাংশ ঘটেছে শুধু ২০২০ সালে। হয়রান হয়েছেন ৬০ জনের বেশি সাংবাদিক। শুধুমাত্র ২০১৯ সালেই ৩৬ জন সাংবাদিক আক্রান্ত হওয়ার খবর এসেছে শিরোনামে।

    রাজরোষে শুধু সাংবাদিকরাই নন রেহাই পাননি গর্ভবতী মহিলাও।গত বছরের ফ্রেব্রুয়ারি তে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়ে দিল্লির দাঙ্গায় বেআইনি কর্মকাণ্ড (প্রতিরোধ) আইনে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন সাফুরা জারগর। গ্রেফতার হওয়ার কয়েক সপ্তাহ আগেই সাফুরা জানতে পেরেছিলেন, তিনি মা হতে চলেছেন। দীর্ঘ টালবাহানার পর চতুর্থবার জামিনের আবেদন মঞ্জুর হওয়ায় অবশেষে মুক্তি পান ২৩ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা সাফুরা।

    অন্যদিকে ভীমা কোরেগাঁও মামলায় ২০১৮-র অগস্ট থেকে জেলে বন্দি ছিলেন কবি ও মানবাধিকার কর্মী ভরভরা রাও।মাওবাদী ঘনিষ্ঠতা এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে হত্যার ছক কষার ষড়যন্ত্রে যুক্ত থাকার অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে ইউএপিএ আইনে একাধিক মামলা রুজু করে পুলিশ। ২০১৮-এর আগস্টে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। মাত্র দুদিন আগেই অর্থাৎ সোমবার বয়সজনিত এবং শারীরিক অসুস্থতার কারণে তাঁকে শর্তসাপেক্ষে ছ’মাসের জন্য তাঁর জামিন মঞ্জুর করেছে বোম্বে হাইকোর্ট।

    এছাড়া মোদী সরকারের জন্য ক্ষতিকর বলে পরিচিত ভীমা কোরেগাঁও মামলা এবং
    মাওবাদী যোগ মামলায় সরকার বিরোধী চক্রান্তের অভিযোগে অভিযুক্ত বিশিষ্ট দলিত সমাজকর্মী এবং অধ্যাপক আনন্দ তেলতুমড়ে কেও “ইউপিএ” আইনে গ্রেপ্তার করে এনআইএ। দীর্ঘদিন ধরেই তাঁর জামিন নিয়ে টালবাহানা লেগেই রয়েছে। বর্তমানে তিনি তলোজা সেন্ট্রাল জেলে বন্দী।

    Related Posts

    Comments

    LEAVE A REPLY

    Please enter your comment!
    Please enter your name here

    সেরা পছন্দ

    বাতিল হতে চলেছে ২০০০ টাকার নোট !

    দ্যা ক্যালকাটা মিরর ব্যুরো : বাজার থেকে ২০০০ টাকার নোট তুলে নিচ্ছে RBI। এমনই বড় সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করল...

    শীঘ্রই আসছে ডেঙ্গু ভ্যাকসিন ! চলছে শেষ পর্যায়ের ট্রায়াল

    দ্যা ক্যালকাটা মিরর ব্যুরো : বর্ষার মরসুম শুরু হতে আর বেশি দেরি নেই। ফি বছরে বর্ষা মরসুম মানেই ডেঙ্গির...

    কেষ্ট গড়ে তৃণমূলে ধস ! বিজেপিতে যোগ দিল বহু মুসলিম পরিবার

    দ্যা ক্যালকাটা মিরর ব্যুরো : সামনেই পঞ্চায়েত ভোট। জোরকদমে প্রচার চালাচ্ছে শাসক-বিরোধী। তার আগে ভাঙন অস্বস্তিতে বিপাকে পড়ছে...

    সমুদ্রে ডুবে যাওয়ার দ্বারপ্রান্তে এসে পৌঁছেছে বেশ কিছু দেশ ! জানুন সেই দেশ গুলি সম্পর্কে

    দ্যা ক্যালকাটা মিরর ব্যুরো : উষ্ণায়নের কারণে গোটা বিশ্বজুড়ে অনেক সমস্যা দেখা যাচ্ছে। কোনও কোনও জায়গায় গ্রীষ্মকালে তুষারপাত হচ্ছে...

    শুরু থেকেই বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ , কি আছে বিতর্কিত ছবিতে ?

    দ্যা ক্যালকাটা মিরর ব্যুরো : ইউটিউবে ছবির ট্রেলার দেখেই বিতর্কের মেঘ ঘনিয়েছিল। মুক্তির পর তোলপাড় ফেলে দিয়েছে পরিচালক সুদীপ্ত...