30 C
Kolkata
Friday, June 9, 2023
More

    বাংলাভাষাকে সুমধুর করে তোলা ‘বিদ্যাসাগরের’ জীবনের নানা জানা-অজানা কথা

    দ্য ক্যালকাটা মিরর ব্যুরোঃ সু-পন্ডিত পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় আক্ষরিক অর্থেই ছিলেন বিদ্যাসাগর। তিনি বাংলা ভাষার পাশাপাশি সংস্কৃত ইংরেজি ও অন্যান্য ভাষাতেও ছিলেন সুদক্ষ। মাত্র ১৯ বছর বয়সে ল- কমিটির পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে প্রথম স্থানে উত্তীর্ণ হওয়ার পর, ল- কমিটি তাকে যে প্রশংসা পত্র প্রদান করেছিল, প্রথম সেখানেই তার নামের আগে তারা ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধিটি ব্যবহার করেছিলেন। ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা নামেও স্বাক্ষর করতেন।

    ১৮২০ সালের ২৬ শে সেপ্টেম্বর, আজকের দিনে, বর্তমান পশ্চিম মেদিনীপুরের বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন, যা সেসময় হুগলি জেলার অন্তর্গত ছিল। বাবা ঠাকুরদাস বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মা ছিলেন ভগবতী দেবী তিনি মা ও বাবার অতি প্রিয় সন্তান ছিলেন এবং বাবা-মা তার কাছে বিশেষ পূজনীয় ছিলেন। ছোট বয়স থেকেই ঈশ্বরচন্দ্র পড়াশোনায় মেধাবী ছিলেন। তাঁর পিতামহ রামজয় তর্কভূষণ বীরসিংহ গ্রামের সংস্কৃত ভাষা ও সাহিত্যে নাম করা পণ্ডিত এবং মাতামহ উমাপতি তর্কসিদ্ধান্ত ও পন্ডিত মানুষ ছিলেন।

    ঈশ্বরচন্দ্রের পাঠ আরম্ভ হয়েছিল গ্রামেরই সনাতন বিশ্বাসের পাঠশালাতে। তখন তার বয়স ছিল মাত্র ৪ বছর ৯ মাস। তবে ওই পাঠশালায় শিক্ষার চেয়ে প্রহার বেশি হতো, তাই পিতামহ পিতামহ রামজয় তর্কভূষণ এর প্রচেষ্টায় পাশের গ্রামে কালীকান্ত চট্টোপাধ্যায় নামের এক উৎসাহী যুবক একটি পাঠশালা গড়ে তুললে সেখানেই নতুনভাবে শিক্ষা আরম্ভ হয় ছোট্ট বিদ্যাসাগরের। এই কালীকান্ত মাষ্টার মশাই তার জীবনের অন্যতম একজন প্রিয় শিক্ষক ছিলেন।

    ঠাকুরদাস বন্দোপাধ্যায় কলকাতার এক কোম্পানিতে খাতা লেখার কাজ করতেন। ছোট্ট ঈশ্বরের পাণ্ডিত্য দেখে কালীকান্ত পন্ডিত তার বাবাকে পরামর্শ দেন ঈশ্বরকে কলকাতায় নিয়ে গিয়ে ভর্তি করার জন্য। কথামতো তিনি আট বছর বয়সে ঈশ্বরচন্দ্রকে কলকাতার গভর্নমেন্ট সংস্কৃত কলেজে ( যা বর্তমানে  সংস্কৃত কলেজিয়েট স্কুল নামে পরিচিত) ব্যাকরণের তৃতীয় শ্রেণিতে ভর্তি করে দেন।  এসময় মদনমোহন তর্কালঙ্কার ছিলেন তার সহপাঠী। ব্যাকরণ এর পার্ট সম্পূর্ণ করে তিনি ইংরেজি পাঠ নেওয়া শুরু করেন এবং ওই সময় থেকেই তিনি ৫ টাকা হারে বৃত্তি এবং ৮ টাকা  পারিতোষিক পান।

    পরে তিনি অলংকার, স্মৃতি, বেদান্ত,কাব্য ন্যায় তর্ক, জ্যোতির্বিজ্ঞান, হিন্দু আইন, ইংরেজি শ্রেণিতে পঠনপাঠন করেন। প্রতি ক্ষেত্রেই তিনি কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হন এবং বৃত্তি ও পারিতোষিক পেতে থাকেন।তিনি দেবনাগরী হস্তাক্ষরের জন্য ৮ টাকা পারিতোষিক পেয়েছিলেন সে সময়। বিদ্যাসাগর মাত্র ২১ বছর বয়সে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে বাংলা বিভাগের প্রধান পন্ডিত হিসাবে ৫০ টাকা বেতনে কর্মজীবন শুরু করেছিলেন। এরপর কখনো তিনি ফোট উইলিয়াম কলেজের কোষাধ্যক্ষ, হেড রাইটার আবার কখনো সংস্কৃত কলেজের সম্পাদক ও পরে সংস্কৃত কলেজে ১৫০ টাকা বেতনে, সাহিত্যের অধ্যাপকের পদ গ্রহণ করেন।

    যদিও তদানীন্তন সময়ে সমাজের রীতি অনুযায়ী খুবই অল্প বয়সে, মাত্র ১৫ বয়সি ঈশ্বরচন্দ্রের সঙ্গে ক্ষীরপাই নিবাসী শত্রুঘ্ন ভট্টাচার্যের কন্যা দীনময়ী দেবীর বিবাহ হয়। তার চার কন্যা এবং এক পুত্র ছিল। পুত্রের নাম ছিল নারায়ণচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় (বিদ্যারত্ন)।

    বিদ্যাসাগর এর সঙ্গে তার কলকাতার বাড়িতে অনেক আত্মীয় অনাত্মীয় এবং তার ছোট ভাইয়েরা তার সঙ্গে থেকেই পড়াশোনা করতেন। কিন্তু তার দুই ভাই পরপর কলেরায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ার পরে, এই মর্মান্তিক ঘটনার পর বাবা ঠাকুরদাস বন্দ্যোপাধ্যায় ঈশ্বরের ছেলে সুরেন্দ্রনাথ কে আর কলকাতায় রেখে পড়াশোনা করতে দেননি। সুরেন্দ্রনাথ এর পড়াশোনা গ্রামের পাঠশালাতে হয়। এই নিয়ে পিতা এবং পুত্রের মধ্যে বেশ মনোমালিন্য ছিল। কারণ তিনি পুত্রকে কলকাতায় নিজের কাছে রেখে পড়াশোনা করাতে চেয়ে ছিলেন।

    তিনি ‘সংস্কৃত প্রেস ডিপজিটরি’ নামে একটি বইয়ের দোকান, এবং বন্ধু মদনমোহন তর্কালঙ্কারের সঙ্গে অর্ধেক শর্তে ‘সংস্কৃত যন্ত্র’ নামে একটি ছাপাখানা স্থাপন করেন। এই ছাপাখানায় তার সম্পাদনা করা অন্নদামঙ্গলের পরিশোধিত গ্রন্থটি দুটি খণ্ডে প্রথম মুদ্রিত হয়েছিল। এরপর তিনি মনোনিবেশ করেছিলেন সমাজ সংস্কার আন্দোলনের দিকে। এবং এই সময় তিনি সমাজ বিষয়ক বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ রচনা করতে শুরু করেন। বিধবা বিবাহ প্রচলন, বহুবিবাহ রদ, বাল্যবিবাহ রদ, নারী শিক্ষার অগ্রগতি, নারী মুক্তি বিভিন্ন বিষয়ে মূল্যবান গ্রন্থ রচনা করেছেন।

    বাংলা মধুর ভাষা তাকে আরও মধুর করে তুলতে বিদ্যাসাগর ইংরেজি সাহিত্যের আদর্শে প্রথম সঠিকভাবে বিরাম চিহ্ন বা যতিচিহ্নের ব্যবহার করেন বাংলা লেখাতে।১৮৫৫ সালে বাংলার যুগান্তকারী শিশু শিক্ষা গ্রন্থ ‘বর্ণপরিচয়’ প্রকাশিত হয় বাংলা নববর্ষের দিন। এরপর ১৮৫৬ সালে ঈশপের কাহিনী অবলম্বনে তার রচিত ‘কথামালা’ প্রকাশিত হয়। ১৮৬০ সালে প্রকাশিত হয় ‘সীতার বনবাস’, ‘আখ্যান মঞ্জরী’ এবং শেক্সপিয়ারের কমেডি অফ এররস্ অবলম্বনে ‘ভ্রান্তিবিলাস’।ব্যাকরণ কৌমুদী (১৮৫৩),নীতিবোধ, বোধোদয়,বাঙ্গালার ইতিহাস, জীবনচরিত ইত্যাদি তার উল্লেখ্যযোগ্য বই।

    তিনি সংস্কৃত শিক্ষায় সুপণ্ডিত হলেও তার মধ্যে কোন সামাজিক গোঁড়ামি ছিল না। তিনি তার জীবনের বেশিরভাগ অংশই কাজ করেছেন শিশু শিক্ষা থেকে শুরু করে সমাজে নারীর অধিকার নিয়ে। তার প্রচেষ্টায় ১৮৫৬ সালে ‘বিধবা বিবাহ আইন’ প্রচলিত হয়েছিলো। তিনি বহু বিবাহ এবং বাল্যবিবাহ রদে বিশেষ ভূমিকা গ্রহণ করেছিলেন এবং সমাজের নারী মুক্তি আন্দোলনে তার বিশেষ সমর্থন ছিল।

    তিনি বিধবা বিবাহ আইন প্রচলন করে ক্ষান্ত হয়ে যাননি। তিনি নিজের প্রচেষ্টায় সেসময় প্রচুর বিধবা বিবাহ সম্পাদন করেছিলেন।এমনকি ১৮৭০ সালের১১ আগস্ট   নিজের পুত্র বাইশ বছর বয়সী নারায়ণচন্দ্রের সঙ্গে কৃষ্ণনগর নিবাসী শম্ভুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের ১৪ বছরের বিধবা কন্যা ভবসুন্দরীর বিবাহ দেন। যা তাঁর মা-ও পত্নী সহধর্মিনী কেউ মেনে নিতে পারেননি। যার ফলে শুরু হয়েছিল তাদের মধ্যে মনোমালিন্য। এই ঘটনার পর ভগবতী দেবী পাকাপাকিভাবে কাশিতে চলে আসেন এবং ১৮৭১ সালে কলেরা আক্রান্ত হয়ে সেখানে প্রয়াত হন।

    বিদ্যাসাগর বাংলা জুড়ে প্রচুর বালিকা বিদ্যালয় স্থাপন করেছিলেন। প্রত্যন্ত গ্রামে গ্রামে শিক্ষা বিস্তারের উদ্দেশ্যে তিনি অনেক বিদ্যালয় স্থাপন করেছিলেন। তিনি শুধু বিদ্যাসাগর ছিলেন না, ছিলেন ‘দয়ার-সাগর’। দুর্ভিক্ষের সময় খেতে না পাওয়া মানুষকে তিনি নিজের খরচে দু’বেলা পেট ভরে খাইয়েছেন। সঙ্গে যখনই কেউ কোন অসুবিধার সম্মুখীন হয়েছে, বন্ধু থেকে পাড়া-প্রতিবেশী পরিচিত, অপরিচিত ব্যক্তি সবার পাশে দাঁড়িয়েছেন তিনি সামর্থ্য মতন।

    আরও পড়ুন: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর মহাশয়ের জন্মদিনকে বাংলার “জাতীয় শিক্ষক দিবস” ঘোষণার দাবি বাংলা পক্ষের

    তিনি কাউকে কথা দিলে সে কথা রাখার আন্তরিক প্রচেষ্টা চালাতেন। উল্লেখ্য, একবার গ্রামের একজনকে কথা দিয়ে কথা রাখতে পারেননি তিনি, তাঁর নিজের পরিবারের সদস্যদের কারণে। সেই কারণে তিনি আমৃত্যু প্রায় ২৬ বছর ওই ঘটনার পর থেকে, তার গ্রাম বীরসিংহে কখনো পদার্পণ করেননি। এমনকি তার স্ত্রীর মৃত্যুর পরে শ্রাদ্ধ বার্ষিকীতে সমস্ত আয়োজন করলেও তিনি গ্রামে আর পা রাখেননি।

    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর দয়ার সাগর সুকঠিন ব্যক্তিত্বের অধিকারী ছিলেন পাশাপাশি তিনি মজার মানুষ ছিলেন তিনি নিজে হাতে রান্না করে খাওয়াতে পছন্দ করতেন এবং তার রান্নার হাত ছিল যথেষ্ট প্রশংসনীয়। একটি মজার ঘটনার উল্লেখ পাওয়া যায় বিখ্যাত ব্যক্তি ‘ভুবনকৃষ্ণ মিত্রের’ লেখনী থেকে। ‘ ঈশ্বরচন্দ্রের হাঁফানির অসুখ ছিল। শীতকালে হাঁপানির প্রকোপ বৃদ্ধি পায়। সেজন্য তিনি নিয়ম করে দুবেলা সকাল-বিকেল চা পান করতেন। তাতে কিছুটা উপশম হতো। একদিন তার ভৃত্য তাকে চা দেওয়ার পরে সেটা পান করে তিনি অন্যান্য দিনের থেকে একটু বেশি আরাম বোধ করছিলেন।

    সেজন্য ভৃত্বকে ডেকে জিজ্ঞেস করেছিলেন চায়ের সঙ্গে আলাদা করে উপশমের জন্য কিছু সে মিশিয়েছে কিনা; কিন্তু সে জানায় প্রতিদিনের নিয়মে আজকেও সে চা করেছে। কিন্তু তার কথা বিশ্বাস করতে না পেরে তিনি নিজেই রন্ধনশালায় চলে আসেন এবং সেখানে এসে কেটলির ঢাকনা উঁচু করে দেখেন তার মধ্যে দুটি আরশোলা মরে রয়েছে। এই ঘটনা দেখে তার মাথায় এক আজব খেয়াল আসে। তিনি ভেবে দেখেন যদি দুটি আরশোলা মৃত চা খেয়ে তার উপশম বেশি হয় তাহলে নিশ্চয়ই এটা এই ব্যাধি সরানোর জন্য কাজে দিতে পারে।

    তিনি ভাবলেন যদি বহু পরিমাণে আরশোলা জলে ফেলে সিদ্ধ করে অ্যালকোহল এর সঙ্গে মিশিয়ে ছেঁকে হোমিওপ্যাথির মত ঔষধ বানিয়ে রোগীর অজ্ঞাতে তা সেবন করবেন এবং নিজে ব্যাবহার করে দেখবেন তাতে  হাঁপ,কাশি সারে কিনা? কথামতোই কাজ। পরে তিনি হোমিওপ্যাথি মতে ওই প্রথায় ওষুধ তৈরি করে নিজেও অন্যদের এই রোগের উপশম দিয়েছিলেন বলে জানা যায় ।

    শেষ বয়সে তার জীবন খুব একটা সুখময় ছিল না। তিনি তার পরিবারের প্রতি ভীষণভাবে মনোক্ষুন্ন ছিলেন। সে কারণে তার সমস্ত সম্পত্তির অধিকার থেকে উইল মারফত তার একমাত্র পুত্রকে পুরোপুরি বেদখল করেছিলেন। সমস্ত কিছু তার শিক্ষাপ্রসারের ক্ষেত্রে এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে ট্রাস্টের মাধ্যমে দান করে দিয়েছিলেন। তাঁর আগেই তার সহধর্মিণী পরলোক গমন করেছিলেন এবং তার কন্যারা অল্প বয়সে বিধবা হওয়ায় মানসিক যন্ত্রণা পেয়েছিলেন তিনি।

    শেষদিকে আত্মীয়-পরিজন এর সঙ্গে সেভাবে কোনো যোগাযোগই ছিলনা তার। শিক্ষা প্রচারের কাজ থেকে ফেরার পথে তিনি এক ভয়াবহ দুর্ঘটনার সম্মুখীন হয়েছিলেন এবং লিভারে ভীষণ ভাবে আঘাত প্রাপ্ত হয়েছিলেন। দীর্ঘ যন্ত্রণা ভোগের পর চিকিৎসাতেও সেভাবে সাড়া না মেলায়, পরবর্তীতে তিনি লিভার ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছিলেন ১৮৯১ সালের ২৯ জুলাই, তার কলকাতার বাসভবন বাদুড়বাগানের বাড়িতে।তার অসমাপ্ত আত্মজীবনী ‘বিদ্যাসাগর চরিত’ মৃত্যুর পরে তার পুত্র নারায়ণচন্দ্র বিদ্যারত্ন প্রকাশ করেন।
    লেখা – তানিয়া তুস সাবা।
    *******************************************

    Related Posts

    Comments

    LEAVE A REPLY

    Please enter your comment!
    Please enter your name here

    সেরা পছন্দ

    হেডের দুরন্ত সেঞ্চুরি WTC প্রথম দিনেই চালকের আসনে অস্ট্রেলিয়া।

    দ্য ক্যালকাটা মিরর ব্যুরো : হেডের দুরন্ত সেঞ্চুরি প্রথম দিনেই চালকের আসনে অস্ট্রেলিয়া। ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে টসে জিতে রোহিত শর্মা ফিল্ডিং...

    কোচ হতে চলেছেন ‘কলকাতার মহারাজ’ সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়

    দ্যা ক্যালকাটা মিরর ব্যুরো : ১৪ ম্যাচে মাত্র পাঁচটি জয়। ১০ পয়েন্ট নিয়ে নয় নম্বরে শেষ করেছিল দিল্লি ক্যাপিটালস। তখনই দেওয়াল লিখন...

    ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহতদের শ্রদ্ধা নিবেদন ভারতীয় ক্রিকেট দলের ।

    দ্য ক্যালকাটা মিরর ব্যুরো : বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনাল শুরু হওয়ার আগে ভারতীয় ক্রিকেট দল বালেশ্বরে হওয়া ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ব্যাক্তিদের উদ্দেশে...

    অভিষেকের বিরুদ্ধে পোস্টার খোদ সিঙ্গুরেই ।

    দ্য কালকাটা মিরর ব্যুরো : এবার অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে পোস্টার পড়লো তৃণমূল কংগ্রেসের ভিত্তিভূমি খোদ সিঙ্গুরের । ' চোর ডাকাতের যুবরাজ নট...

    ১০০ দিনের কাজ নিয়ে কেন্দ্রকে তলব কোলকাতা হাইকোর্টের ।

    দ্য কালকাটা মিরর ব্যুরো : ১০০ দিনের কাজের টাকা নিয়ে কেন্দ্র রাজ্য তরজা লেগেই ছিলো । একটি জনস্বার্থ মামলার শুনানির পর কোলকাতা...